Dhaka , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
খাল দখলমুক্ত ও বর্জ্যমুক্ত করার আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি প্রধানমন্ত্রী তার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা লক্ষ্মীপুরে ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ: প্রবাসী ভাইকে পিটিয়ে হত্যার করলো আপন বড় ভাই ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করবে সরকার নির্মাণ কাজে বাধা-হয়রানির অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হলেন লক্ষ্মীপুরে কৃতি সন্তান এ্যানি লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনেই বিএনপির জয় লক্ষ্মীপুরে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ নিলেন ৫০ সাংবাদিক লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট

‌‘১০ নম্বর বিপদসংকেত’ যে কারণে যৌক্তিক দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
  • ১৭৬ Time View

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর দাবি করছে, সেন্টমার্টিনে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ১০ নম্বর যে বিপৎসংকেত দেওয়া হয়েছিল তা সঙ্গতিপূর্ণ ও যৌক্তিক।

রোববার (১৪ মে) রাতে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যখন ঝড় সৃষ্টি হয় তখন তার ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী সংকেত জারি করা হয়। মোখা ছিল অতি প্রবল একটি ঘূর্ণিঝড়টি। সেজন্য ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দেওয়া হয়।

এ আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৮ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

খাল দখলমুক্ত ও বর্জ্যমুক্ত করার আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি

‌‘১০ নম্বর বিপদসংকেত’ যে কারণে যৌক্তিক দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের

Update Time : ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর দাবি করছে, সেন্টমার্টিনে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ১০ নম্বর যে বিপৎসংকেত দেওয়া হয়েছিল তা সঙ্গতিপূর্ণ ও যৌক্তিক।

রোববার (১৪ মে) রাতে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যখন ঝড় সৃষ্টি হয় তখন তার ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী সংকেত জারি করা হয়। মোখা ছিল অতি প্রবল একটি ঘূর্ণিঝড়টি। সেজন্য ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দেওয়া হয়।

এ আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৮ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।