Dhaka , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে সরকারি ভাতার কয়েক লাখ টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক চক্র রামগতি ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে ভূমিহীনের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ রামগতিতে সংসার করতে স্ত্রীর ৯ শর্ত, মেনে নিতে না পেরে স্বামীর আত্মহত্যা ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লক্ষ্মীপুরের সন্তান মুন্না নির্বাচিত কমলনগরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে চুরি-ডাকাতি,

‌‘১০ নম্বর বিপদসংকেত’ যে কারণে যৌক্তিক দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
  • ১৮৬ Time View

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর দাবি করছে, সেন্টমার্টিনে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ১০ নম্বর যে বিপৎসংকেত দেওয়া হয়েছিল তা সঙ্গতিপূর্ণ ও যৌক্তিক।

রোববার (১৪ মে) রাতে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যখন ঝড় সৃষ্টি হয় তখন তার ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী সংকেত জারি করা হয়। মোখা ছিল অতি প্রবল একটি ঘূর্ণিঝড়টি। সেজন্য ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দেওয়া হয়।

এ আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৮ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

আলোচিত

লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম

‌‘১০ নম্বর বিপদসংকেত’ যে কারণে যৌক্তিক দাবি আবহাওয়া অধিদপ্তরের

Update Time : ১০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে রোববার (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করেছে। শনিবার (১৩ মে) দুপুরে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দিয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর দাবি করছে, সেন্টমার্টিনে ১৪৭ কিলোমিটার বেগে প্রতি ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ ছিল। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ১০ নম্বর যে বিপৎসংকেত দেওয়া হয়েছিল তা সঙ্গতিপূর্ণ ও যৌক্তিক।

রোববার (১৪ মে) রাতে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত আবহাওয়া অধিদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুর রহমান খান।

তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে যখন ঝড় সৃষ্টি হয় তখন তার ক্রাইটেরিয়া অনুযায়ী সংকেত জারি করা হয়। মোখা ছিল অতি প্রবল একটি ঘূর্ণিঝড়টি। সেজন্য ১০ নম্বর বিপৎসংকেত দেওয়া হয়।

এ আবহাওয়াবিদ বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৮ নম্বর বিপৎসংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।