Dhaka , বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ নিলেন ৫০ সাংবাদিক লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মার্কেট লক্ষ্মীপুরে লঞ্চ ঘাটে প্যানেল চেয়ারম্যান নয়ন বেগমসহ তার লোক জনের ওপর হামলার অভিযোগ আহত-৫ নুরুল্লাপুরে মাদ্রাসার জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ শিপনের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুরে জামায়াত প্রার্থীর বিশাল শোভাযাত্রা লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সাধারণ সম্পাদককে কুপিয়ে হত্যা  ৬টি প্রকল্পের ৩৩ লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী লক্ষ্মীপুরে শহীদের নামে চত্বর নামকরণের দাবিতে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি,প্রতিবাদে বিক্ষোভ মানববন্ধন,  লক্ষ্মীপুরে এসআই শাহ আলমকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগের প্রতিবাদ

লক্ষ্মীপুরে জোড়া খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার,জিহাদীর সহযোগীসহ গ্রেফতার-২

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩
  • ১৮৫ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে আলোচিত নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদীর সহযোগী শরীফসহ এ মামলার ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র। এবং স্বেচ্ছায় হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে মামলার ৩ নম্বর আসামি ফয়সাল দেওয়ান ও ১৮ নম্বর আসামি আলমগীর হোসেন ওরফে টাকলু আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) রাত ৮টা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এসপি বলেন, সম্প্রতি এ মামলার ৩ ও ১৮ নম্বর আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছেন, এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলো। সবার হাতে শরীফ নামে এক ব্যক্তি অস্ত্র গুলো দিয়েছে। এবং ৪/৫ ভাগে অবস্থান নেওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী নোমান-রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ আরও জানান , নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদীকে গ্রেফতার করতে পুলিশ,র‌্যাব ও কাউন্টার টেররিজম টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা সকলে সমন্বিতভাবে কাজ করার কারণে ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারলাম। ১৭ জনের মধ্যে ১০ জন এজাহার নামীয় আসামী ও ৭ জন সন্দিগ্ধ। সর্বশেষ আসামী মো. রাকিব হাসান ওরফে স্যুটার রাকিব (৩০) ও মো. লিটন ওরফে চাঁন মিয়াকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া জিজ্ঞাসাবাদে বুধবার দিবাগত রাত ২টা ২৫মিনিটে পোদ্দার বাজার টু নাগের হাট রাস্তার পাশে অবস্থিত ব্রিজের নিচে কচুরি-পানা’র নিচ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য: ২৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ আব্দুল্লাাহ আল নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমামকল গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থল গিয়ে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা নোমানকে মৃত ঘোষনা করেন। ছাত্রলীগ নেতা রাকিবকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান তিনিও। ২৬ এপ্রিল রাত ১ টার দিকে নিহত নোমানের বড় ভাই ও বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম জিহাদীকে প্রধান করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ্য ও অজ্ঞাত ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Happy Times

লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণ নিলেন ৫০ সাংবাদিক

লক্ষ্মীপুরে জোড়া খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার,জিহাদীর সহযোগীসহ গ্রেফতার-২

Update Time : ০৯:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে আলোচিত নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদীর সহযোগী শরীফসহ এ মামলার ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র। এবং স্বেচ্ছায় হত্যাকান্ডের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে মামলার ৩ নম্বর আসামি ফয়সাল দেওয়ান ও ১৮ নম্বর আসামি আলমগীর হোসেন ওরফে টাকলু আলমগীর।

বৃহস্পতিবার (১১ মে) রাত ৮টা পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গণমাধ্যমকর্মীদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। এসপি বলেন, সম্প্রতি এ মামলার ৩ ও ১৮ নম্বর আসামি আদালতে স্বীকারোক্তি জবানবন্দি দিয়েছেন, এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলো। সবার হাতে শরীফ নামে এক ব্যক্তি অস্ত্র গুলো দিয়েছে। এবং ৪/৫ ভাগে অবস্থান নেওয়ার জন্য দিকনির্দেশনা দেয়। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী নোমান-রাকিবকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার মাহফুজ্জামান আশরাফ আরও জানান , নোমান-রাকিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল কাশেম জিহাদীকে গ্রেফতার করতে পুলিশ,র‌্যাব ও কাউন্টার টেররিজম টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা সকলে সমন্বিতভাবে কাজ করার কারণে ১৭ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারলাম। ১৭ জনের মধ্যে ১০ জন এজাহার নামীয় আসামী ও ৭ জন সন্দিগ্ধ। সর্বশেষ আসামী মো. রাকিব হাসান ওরফে স্যুটার রাকিব (৩০) ও মো. লিটন ওরফে চাঁন মিয়াকে (৪৩) গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া জিজ্ঞাসাবাদে বুধবার দিবাগত রাত ২টা ২৫মিনিটে পোদ্দার বাজার টু নাগের হাট রাস্তার পাশে অবস্থিত ব্রিজের নিচে কচুরি-পানা’র নিচ থেকে ২টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য: ২৫ এপ্রিল রাতে সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের পোদ্দার বাজার এলাকায় জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ আব্দুল্লাাহ আল নোমান ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাকিব ইমামকল গুলি করে হত্যা করা হয়। এসময় তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও মোবাইল নিয়ে যায় দূর্বৃত্তরা। গুলির শব্দ শুনে ঘটনাস্থল গিয়ে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা নোমানকে মৃত ঘোষনা করেন। ছাত্রলীগ নেতা রাকিবকে সংকটাপন্ন অবস্থায় ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান তিনিও। ২৬ এপ্রিল রাত ১ টার দিকে নিহত নোমানের বড় ভাই ও বশিকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে ৩৩ জনের বিরুদ্ধে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে চন্দ্রগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবুল কাশেম জিহাদীকে প্রধান করে ১৮ জনের নাম উল্লেখ্য ও অজ্ঞাত ১৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলার পর থেকে র‌্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৭ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।