Dhaka , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে সরকারি ভাতার কয়েক লাখ টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক চক্র রামগতি ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে ভূমিহীনের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ রামগতিতে সংসার করতে স্ত্রীর ৯ শর্ত, মেনে নিতে না পেরে স্বামীর আত্মহত্যা ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লক্ষ্মীপুরের সন্তান মুন্না নির্বাচিত কমলনগরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে চুরি-ডাকাতি,

করোনা দেখালো সংক্রামক রোগ সীমান্ত চেনে না

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০
  • ১৬০ Time View

অনলাইন ডেস্ক :  সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সব দেশ একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে সংক্রামক রোগ কোনো সীমান্ত চেনে না এবং দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত, উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না।

লন্ডনে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুরে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) আয়োজিত গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিটে দেওয়া বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে এই সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি কোভিড-১৯ এর মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি) সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয় পুরনো প্রবাদ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম। সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন প্রমাণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী প্রতি চার মাসে একটি নতুন সংক্রামক রোগের উদ্ভব হয়। গ্লোবাল ভাইরোম প্রজেক্ট অনুমাণ করছে প্রায় ৭শ হাজার ভাইরাস আছে যেগুলো মহামারি সৃষ্টি করতে সক্ষম। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

‘সুতরাং মানব অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। এই যুদ্ধে ‘গাভি’ আমাদের সবচেয়ে ভালো সহায়তা দিতে পারে।’

‘গাভি’র প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সাল থেকে গাভি ৭৬০ মিলিয়ন মানুষকে প্রাণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে এবং সারাবিশ্বে ১৩ মিলিয়নের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে। সবার সহযোগিতায় তারা এটি অব্যাহত রাখতে পারবে।

গাভিকে সহযোগিতা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমি নই, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি)সহায়তার কথা শুনতে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করছে।

সার্বজনীন স্বাস্থ্য কাভারেজ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গাভিকে পরীক্ষিত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশকে দেওয়া সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

গাভির জন্য তহবিল বাড়াতে এই ভার্চ্যুয়াল সামিটে বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তেনিও গুতেরেস, গাভি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. এনগোজি ওকনজো-আইওয়ালা উদ্বোধনী সেশনের বক্তব্য রাখেন। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিওবার্তা প্রচার করা হয়।

Tag :
About Author Information

আলোচিত

লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম

করোনা দেখালো সংক্রামক রোগ সীমান্ত চেনে না

Update Time : ১১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

অনলাইন ডেস্ক :  সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সব দেশ একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ মহামারি আমাদের দেখিয়েছে সংক্রামক রোগ কোনো সীমান্ত চেনে না এবং দুর্বল, ক্ষমতাধর কিংবা উন্নত, উন্নয়নশীল কাউকে আলাদা বিবেচনা করে না।

লন্ডনে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুরে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) আয়োজিত গ্লোবাল ভ্যাকসিন সামিটে দেওয়া বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ভ্যাকসিনের মাধ্যমে পরবর্তী প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত অর্থ সংগ্রহে এই সম্মেলনের আয়োজন করে যুক্তরাজ্য সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে মানবজাতির অস্তিত্বের জন্য হুমকি কোভিড-১৯ এর মতো প্রাণঘাতী সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি) সর্বাত্মক সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কোভিড-১৯ মহামারি প্রমাণ করেছে যেকোনো বৈশ্বিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আমরা কতটা অসহায়। এটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয় পুরনো প্রবাদ, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধেই উত্তম। সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রতিরোধের জন্য ভ্যাকসিন প্রমাণিত।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী প্রতি চার মাসে একটি নতুন সংক্রামক রোগের উদ্ভব হয়। গ্লোবাল ভাইরোম প্রজেক্ট অনুমাণ করছে প্রায় ৭শ হাজার ভাইরাস আছে যেগুলো মহামারি সৃষ্টি করতে সক্ষম। এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিতে পারে।

‘সুতরাং মানব অস্তিত্ব রক্ষার জন্য বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। এই যুদ্ধে ‘গাভি’ আমাদের সবচেয়ে ভালো সহায়তা দিতে পারে।’

‘গাভি’র প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০০ সাল থেকে গাভি ৭৬০ মিলিয়ন মানুষকে প্রাণঘাতী রোগ থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করছে এবং সারাবিশ্বে ১৩ মিলিয়নের বেশি প্রাণ বাঁচিয়েছে। সবার সহযোগিতায় তারা এটি অব্যাহত রাখতে পারবে।

গাভিকে সহযোগিতা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, শুধু আমি নই, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনকে (গাভি)সহায়তার কথা শুনতে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করছে।

সার্বজনীন স্বাস্থ্য কাভারেজ ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গাভিকে পরীক্ষিত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (গাভি) পক্ষ থেকে বিভিন্ন বাংলাদেশকে দেওয়া সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন শেখ হাসিনা।

গাভির জন্য তহবিল বাড়াতে এই ভার্চ্যুয়াল সামিটে বিশ্ব নেতাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর আগে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জাতিসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তেনিও গুতেরেস, গাভি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. এনগোজি ওকনজো-আইওয়ালা উদ্বোধনী সেশনের বক্তব্য রাখেন। যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভিডিওবার্তা প্রচার করা হয়।