Dhaka , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ লক্ষ্মীপুরে সরকারি ভাতার কয়েক লাখ টাকা নিয়ে উধাও প্রতারক চক্র রামগতি ভূমিদস্যুর বিরুদ্ধে ভূমিহীনের জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ রামগতিতে সংসার করতে স্ত্রীর ৯ শর্ত, মেনে নিতে না পেরে স্বামীর আত্মহত্যা ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি লক্ষ্মীপুরের সন্তান মুন্না নির্বাচিত কমলনগরে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে চুরি-ডাকাতি, খাল খনন অব্যাহত থাকলে দেশে নতুন বিপ্লব সৃষ্টি হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী খাজনা আদায়ে ভূমি অফিসের ‘হালখাতা’ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ অনুষ্ঠিত

পৌরবাসির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি-মেয়র মাসুম ভূঁইয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩
  • ১৫৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বিভিন্নস্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। রাস্তা ঘাট, কালভার্ট, ড্রেন নির্মাণ, পানির পাইপ লাইন স্থাপন, পৌর শিশু পার্কের উন্নয়নসহ পৌর এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ হাতে নিয়েছেন তিনি। যেগুলো বাস্তবায়ন হলে সুফল ভোগ করবে পৌর বাসিন্দারা। পৌরসভা সূত্র জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে পৌর সভার নিজস্ব তহবিল ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে প্রায় দুই কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার টাকার। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য এরই মধ্যে বিভিন্ন কাজের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কার, সলিং, সড়কের পাশে গাইড ওয়াল ও প্যালাসাইডিং নির্মাণ, সড়ক বাতি ক্রয়, পৌর শিশু পার্কে রাইড স্থাপন, দালালবাজার খোয়াসাগর দিঘির পাড়ে ১২ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন, দোকান ঘর নির্মাণ, পৌরসভার উত্তর তেমুহনী থেকে দক্ষিণ তেমুহনী পর্যন্ত পানির লাইন পুনঃস্থাপন। এরই এসব প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে উন্নয়ন সহায়তা তহবিল ও বিশেষ বরাদ্দ তহবিল থেকে ব্যয় হবে প্রায় এক কোটি ৫ লাখ টাকা, নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা এবং পানির পাইপ লাই নির্মাণে পানি সরবরাহ তহবিল থেকে ব্যয় হবে এক কোটি টাকাও বেশি।

পৌরসভা সূত্র আরও জানায়, পৌর এলাকার ২ নম্বর, ৬ নম্বর ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পর আওতায় বস্তিবাসীদের জন্য স্যানিটেশন, ড্রেন, রাস্তা, সড়ক বাতি এবং নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপ করা হচ্ছে।
এছাড়া পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পৌর এলাকায়। সেগুলো মধ্যে পৌর মাছ বাজারে, পৌর অর্থায়নে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার পৌর আধুনিক ‘কিচেন মার্কেট নির্মাণ কাজ চলমান কিছুদিনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে আশা করেছেন মেয়র মাসুম ভুঁইয়া। ‘, কোভিড-১৯ বাস্তা বায়ন প্রকল্প, এমজিএসপি প্রকল্পের আওতায় রাস্তাঘাট সংস্কার, বর্জ্র ব্যবস্থাপনার আওতায় আধুনিক বর্জ্র পরিশোধন প্লান্ট রয়েছে।
পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বলেন, পৌরসভার বাসিন্দাদের উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ভবিষ্যতে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে পৌরবাসী সুফল ভোগ করবে। তিনি বলেন, বিগত পৌর সভার সাবেক মেয়রের ৩০ কোটি বকেয়া রেখে যাওয়ার পর আমি দায়িত্ব গ্রহন করি। এর পর থেকে পৌর বাসিকে সাথে নিয়ে উন্নয়নের পাশাপাশি পৌরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। জনতার ঘরে পৌরবাসীরা এসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বলেন। সেখানে তাদের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। পৌর বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য হোন্ডিং নাম্বার অনলাইনের আওতায় নিয়ে আনা হয়েছে। পৌর বাঞ্চানগর ৬ নং ওয়ার্ড শিল্প কলনী ও সোনালী কলনীর ১ কোটি ১০ লাখ অর্থায়নে রাস্তা ও কালপেট নির্মান। হাসপাতাল রোড বাজার রোড হতে দক্ষিন তেমুহনী রামগতি রোড সিমানা পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং নির্মান। এছাড়াও পৌরসভার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসার জন্য ভিবিন্ন সময় আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে আসছে উন্নয়নের মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।
তিনি জানান, মানুষ যাতে তাদের সন্তানদের জন্মনিবন্ধনের আগ্রহী হয়ে দ্রুত জন্মনিবন্ধন করায় সেজন্য একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৩৫ দিন বয়সের আগে কোন শিশুকে জন্মনিবন্ধনের আওতায় আনা হলে ওই শিশুর জন্য পুরষ্কার হিসেবে নগদ ৫০০ টাকা এবং একটি গাছের চারা উপহার দিই। এ উদ্যোগের কারনে শিশুদের জন্মনিবন্ধনে ব্যাপক সাঁড়া পড়েছে।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন

পৌরবাসির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি-মেয়র মাসুম ভূঁইয়া

Update Time : ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বিভিন্নস্থানে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। রাস্তা ঘাট, কালভার্ট, ড্রেন নির্মাণ, পানির পাইপ লাইন স্থাপন, পৌর শিশু পার্কের উন্নয়নসহ পৌর এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ করেছেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া। এছাড়া বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ হাতে নিয়েছেন তিনি। যেগুলো বাস্তবায়ন হলে সুফল ভোগ করবে পৌর বাসিন্দারা। পৌরসভা সূত্র জানায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে পৌর সভার নিজস্ব তহবিল ও উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে প্রায় দুই কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার টাকার। এছাড়া ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য এরই মধ্যে বিভিন্ন কাজের টেন্ডার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তা সংস্কার, সলিং, সড়কের পাশে গাইড ওয়াল ও প্যালাসাইডিং নির্মাণ, সড়ক বাতি ক্রয়, পৌর শিশু পার্কে রাইড স্থাপন, দালালবাজার খোয়াসাগর দিঘির পাড়ে ১২ টি সোলার স্ট্রিট লাইট স্থাপন, দোকান ঘর নির্মাণ, পৌরসভার উত্তর তেমুহনী থেকে দক্ষিণ তেমুহনী পর্যন্ত পানির লাইন পুনঃস্থাপন। এরই এসব প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। প্রকল্পগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে উন্নয়ন সহায়তা তহবিল ও বিশেষ বরাদ্দ তহবিল থেকে ব্যয় হবে প্রায় এক কোটি ৫ লাখ টাকা, নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা এবং পানির পাইপ লাই নির্মাণে পানি সরবরাহ তহবিল থেকে ব্যয় হবে এক কোটি টাকাও বেশি।

পৌরসভা সূত্র আরও জানায়, পৌর এলাকার ২ নম্বর, ৬ নম্বর ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে বস্তি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এ প্রকল্পর আওতায় বস্তিবাসীদের জন্য স্যানিটেশন, ড্রেন, রাস্তা, সড়ক বাতি এবং নিরাপদ পানির জন্য গভীর নলকূপ করা হচ্ছে।
এছাড়া পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে পৌর এলাকায়। সেগুলো মধ্যে পৌর মাছ বাজারে, পৌর অর্থায়নে ১ কোটি ২০ লাখ টাকার পৌর আধুনিক ‘কিচেন মার্কেট নির্মাণ কাজ চলমান কিছুদিনের মধ্যে এই কাজ শেষ হবে বলে আশা করেছেন মেয়র মাসুম ভুঁইয়া। ‘, কোভিড-১৯ বাস্তা বায়ন প্রকল্প, এমজিএসপি প্রকল্পের আওতায় রাস্তাঘাট সংস্কার, বর্জ্র ব্যবস্থাপনার আওতায় আধুনিক বর্জ্র পরিশোধন প্লান্ট রয়েছে।
পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া বলেন, পৌরসভার বাসিন্দাদের উন্নয়নে আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। অল্প কয়েক মাসের ব্যবধানে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। ভবিষ্যতে যে উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়ন হলে পৌরবাসী সুফল ভোগ করবে। তিনি বলেন, বিগত পৌর সভার সাবেক মেয়রের ৩০ কোটি বকেয়া রেখে যাওয়ার পর আমি দায়িত্ব গ্রহন করি। এর পর থেকে পৌর বাসিকে সাথে নিয়ে উন্নয়নের পাশাপাশি পৌরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাচ্ছি। জনতার ঘরে পৌরবাসীরা এসে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বলেন। সেখানে তাদের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। পৌর বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য হোন্ডিং নাম্বার অনলাইনের আওতায় নিয়ে আনা হয়েছে। পৌর বাঞ্চানগর ৬ নং ওয়ার্ড শিল্প কলনী ও সোনালী কলনীর ১ কোটি ১০ লাখ অর্থায়নে রাস্তা ও কালপেট নির্মান। হাসপাতাল রোড বাজার রোড হতে দক্ষিন তেমুহনী রামগতি রোড সিমানা পর্যন্ত ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যায়ে কার্পেটিং নির্মান। এছাড়াও পৌরসভার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ মাদ্রাসার জন্য ভিবিন্ন সময় আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে আসছে উন্নয়নের মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।
তিনি জানান, মানুষ যাতে তাদের সন্তানদের জন্মনিবন্ধনের আগ্রহী হয়ে দ্রুত জন্মনিবন্ধন করায় সেজন্য একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৩৫ দিন বয়সের আগে কোন শিশুকে জন্মনিবন্ধনের আওতায় আনা হলে ওই শিশুর জন্য পুরষ্কার হিসেবে নগদ ৫০০ টাকা এবং একটি গাছের চারা উপহার দিই। এ উদ্যোগের কারনে শিশুদের জন্মনিবন্ধনে ব্যাপক সাঁড়া পড়েছে।