রায়পুর প্রতিনিধি: লক্ষীপুর জেলার রায়পুরে পাঁচ মাসের শিশু কন্যাকে চুরি করে অন্যত্র বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী, শশুর – শাশুড়ির বিরুদ্ধে I
অভিযোগে জানা যায়, শাকিল হোসেন বাবু পিতা :খোরশেদ আলম ৯ নং ওয়ার্ড রাড়ী বাড়ির বাসিন্দার সাথে সামিয়া আক্তার (মায়শা) পিতা :শফিকুল ইসলাম গ্রাম দেনায়েতপুর পৌর ৩নং ওয়ার্ড থানা রায়পুর এর সাথে গত ৩ বছর পূর্বে বিবাহ হয়, তাদের বিবাহিত জীবনে দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে, গত ২৮ শে জুলাই সন্ধ্যা আনুমানিক সময় ৬ টার দিকে সামিযা আক্তার মায়শার নিকট হতে তার পাঁচ মাসের শিশু সন্তান ছাইফা আক্তারকে বেড়ানোর কথা বলে শাশুড়ী সুফিয়া বেগম নিয়ে যায় এবং রাখালিয়া নামক অজ্ঞাত স্থানে এক নি:সন্তান দম্পতির নিকট অর্থঅভাবে বিক্রি করে দেয়।
অভিযোগে সামিয়া আক্তার মাইশা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, তারা ইয়াবার ব্যবসা করে, আমার স্বামী এবং শাশুড়ি যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রতিনিয়ত চাপ সৃষ্টি করতো এবং মারধরসহ অমানবিক নির্যাতনের নিয়মিত রুটিন। আমার ছোট মেয়েকে এভাবে বিক্রি করে দিবে তা কখনোই ভাবিনি, আপনারা আমার বাচ্চাকে এনে দেন। আমি আমার বাচ্চাকে ফেরত চাই।
ভুক্তভোগী সামিয়া আক্তার মাইশা সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন , তারা আমার বাচ্চাকে এনে দিবে বলে স্ট্যাম্পে সাইন নেয়। কিন্তু বাচ্চাকে এখন পর্যন্ত তারা ফিরিয়ে দেয়নি, ওরা এখন উল্টো আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করছে। আমি আমার বাচ্চাকে ফেরত চাই আপনারা আমার বাচ্চাকে যেভাবে পারেন নিয়ে আসেন বলে বিলাপ করে কান্না করছে।
মাইশা বলেন, আমার বাবা শফিকুল ইসলাম বিষয়টি জানার জন্য আসলে ওরা আমার বাবাকে আটকিয়ে মারধর করে , নিরুপায় হয়ে তৎক্ষণিক আমরা ৯৯৯ এ কল করলে আমার বাবাকে পুলিশে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ঘটনাটির সত্যতা জানতে অভিযুক্ত শাকিল হোসেন বাবু, খোরশেদ আলম ও সুফিয়া বেগম বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বাচ্চা বিক্রির বিষয়টি সত্য নয়।
এবিষয়ে ভুক্তভোগীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রায়পুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।
ফারুক হোসেন
রায়পুর লক্ষ্মীপুর।


Reporter Name 










