লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী মহি উদ্দিন জনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনময় সভা করেছেন। এসময় চররমনী মোহন ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা সম্ভাবনা তুলে ধরে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার (২০ মে) দুপুরে লক্ষ্মীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে কার্যালয় মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
জনি চররমনী মোহন ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ও সদর পশ্চিম) উপজেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ছিলেন। তিনি এখন বিএনপির কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী।
নিজেকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে মহি উদ্দিন জনি বলেন, আমি বিএনপির একজন কর্মী। দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত ব্যবসা করে আসছি। নানান সমস্যার নাম চররমনী মোহন ইউনিয়ন। এখানে ৮০ শতাংশ মানুষ কৃষি ও জেলে পেশায় জড়িত। শিক্ষা ব্যবস্থা একইবারেই নাজুক। ইতিমধ্যে অবহেলিত থাকার কারণগুলো শনাক্ত করেছি। শিক্ষারহার বৃদ্ধিতে সবসময় কাজ করে যাবো। এছাড়া ইউনিয়নের সকল সমস্যা সমাধানেও সবাইকে নিয়ে চেষ্টা করবো।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালে সদর উপজেলার বৃহত্তর শাকচর ইউনিয়নকে তিনভাগ করে শাকচর, টুমচর ও চররমনী মোহন ইউনিয়ন পরিষদ গঠন করা হয়। এরমধ্যে মেঘনা নদীর কূল ঘেষা ইউনিয়ন হচ্ছে চররমনী মোহন। ৬৮.৪৪ বর্গ কিলোমিটারের ইউনিয়নটির প্রায় ৮০ শতাংশ জনগণই কৃষি ও জেলে পেশায় জড়িত। প্রায় ৪৩ হাজার জনগণের এ ইউনিয়নে শিক্ষার হার মাত্র ১৫ শতাংশ। ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রায় দেড় যুগ পার হলেও স্থায়ী ভবন নেই। ভাড়া ভবনেই পরিষদের কার্যক্রম চালাতে হয়। এই ইউনিয়নেই রয়েছে মজুচৌধুরীর হাট লঞ্চ ও ফেরী ঘাট। এটি লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌ-রুট। ২০১৭ সালের ১৪ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মজুচৌধুরীর হাটে আধুনিক নৌবন্দরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেও তা আজও দৃশ্যমান হয়নি। তবে বর্তমান সরকার চররমনী মোহন ইউনিয়নে কৃষিভিত্তিক ইকোনোমিক জোনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনায় রেখেছে।


Reporter Name 









