Dhaka , রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি উত্তর মান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সুবর্ণচর রাব্বানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান

লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

  • Reporter Name
  • Update Time : এক ঘন্টা আগে
  • ৭ Time View

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে সরকারি রেকর্ডভুক্ত কবরস্থানের জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের ৩১ জনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার পরও কাজ অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর পৌর শহর পুরাতন আদালত সড়কের পূর্ব পাশে।

স্থানীয়দের দাবি, একসময় ওই জায়গাগুলো মিয়া বাড়ির মালিকানাধীন ছিল। পরবর্তীতে আদালতের প্রয়োজনে সরকার জমিটি রেকর্ডভুক্ত করে নেয়। সে সময় মার্কেট নির্মাণের স্থানে একটি কবর থাকায় জায়গাটির একটি অংশ কবরস্থান হিসেবে সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
জমিটি সকারের কাছে থেকে উদ্ধারের জন্য ৩১ জন বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকে বিবাদী করে একটি মামাল চলমান রয়েছে।

তবে দখর কারিদের ভাষ্য, বর্তমানে একই পরিবারের কয়েকজন ব্যক্তি পারিবারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওই জমি মসজিদের নামে দান করেছেন। কবরের স্থানটি ফাঁকা রাখার কথা উল্লেখ করে সেখানে মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকেও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এরপরও নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি রেকর্ডে কবরস্থান হিসেবে থাকা জমি কীভাবে ব্যক্তি উদ্যোগে অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তার পরও কীভাবে নির্মাণকাজ চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামলার বাদী পক্ষের পিন্টু বলেন, কবরস্থানে জায়গাটি অক্ষত রাখা হয়েছে বাকি জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করে তার আয় মসজিদে দেওয়া হবে। উক্ত জমিটি উদ্ধার করে সকারের অধীনে রাখার জন্য দাবি জানিয়ে স্থানীয়রা।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

Update Time : এক ঘন্টা আগে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে সরকারি রেকর্ডভুক্ত কবরস্থানের জমিতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের ৩১ জনের বিরুদ্ধে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে নির্মাণকাজে বাধা দেওয়ার পরও কাজ অব্যাহত রাখার অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর পৌর শহর পুরাতন আদালত সড়কের পূর্ব পাশে।

স্থানীয়দের দাবি, একসময় ওই জায়গাগুলো মিয়া বাড়ির মালিকানাধীন ছিল। পরবর্তীতে আদালতের প্রয়োজনে সরকার জমিটি রেকর্ডভুক্ত করে নেয়। সে সময় মার্কেট নির্মাণের স্থানে একটি কবর থাকায় জায়গাটির একটি অংশ কবরস্থান হিসেবে সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
জমিটি সকারের কাছে থেকে উদ্ধারের জন্য ৩১ জন বাদী হয়ে জেলা প্রশাসকে বিবাদী করে একটি মামাল চলমান রয়েছে।

তবে দখর কারিদের ভাষ্য, বর্তমানে একই পরিবারের কয়েকজন ব্যক্তি পারিবারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ওই জমি মসজিদের নামে দান করেছেন। কবরের স্থানটি ফাঁকা রাখার কথা উল্লেখ করে সেখানে মার্কেট নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্থানীয় ভূমি কর্মকর্তার পক্ষ থেকেও নির্মাণকাজে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। এরপরও নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি রেকর্ডে কবরস্থান হিসেবে থাকা জমি কীভাবে ব্যক্তি উদ্যোগে অন্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তার পরও কীভাবে নির্মাণকাজ চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মামলার বাদী পক্ষের পিন্টু বলেন, কবরস্থানে জায়গাটি অক্ষত রাখা হয়েছে বাকি জায়গায় মার্কেট নির্মাণ করে তার আয় মসজিদে দেওয়া হবে। উক্ত জমিটি উদ্ধার করে সকারের অধীনে রাখার জন্য দাবি জানিয়ে স্থানীয়রা।