Dhaka , শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি উত্তর মান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সুবর্ণচর রাব্বানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান

কয়েকজন ছাড়া কারও চেহারাই দেখছি না: নিরব

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০
  • ৩৯০ Time View

দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রথমবার ঘরে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নিরব হোসেন। প্রায় ৬৮ দিন ঘরে বন্দী এ নায়কের ঈদের দিন কেটেছে বাকি দিনগুলোর মতই।

 

ঘরে বসে থাকতে থাকতে অনেকটাই বোরড হয়ে গেছেন। কিন্ত তাতেও কিছুই করার নেই। দেশের পরিস্থিতি চিন্তা করে থাকছেন গৃহবন্দী। তবে পরিবারের সঙ্গে এতটা সময় পার করাটা বেশ উপভোগ করছেন এ নায়ক। দুই মেয়ে যুওয়াইনাহ্ ও যুওয়াইবাহ্ এর সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটছে।

এ নায়ক বলেন, প্রায় ৬৮ দিন ধরে বাসাতেই আছি। সেদিন থেকে চিন্তা করলে ঈদের দিনটা বাকি দিনের মতই কেটেছে। নতুনত্ব কিছুই ছিলো না। আর প্রথমবার ঈদের নামাজ ঘরে আদায় করেছি। আমরা ১২ জন ছিলা পরিবারে, সবাই মিলে ঘরে জামাতের সাথে নামাজ পড়েছি। এটা একটু ব্যতিক্রম এবারের ঈদে।

পরিবারের সঙ্গে বাসাতেই কেটেছে এদিন। তবে যেহেতু বোন ও ভাইয়ের বাসা খুব কাছেই বিকালের পর বোনের বাসায় গিয়েছিলাম আর ভাইয়া আমাদের বাসায় এসেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার কারণে নিজের আত্মীয়স্বজন ভাই ব্রাদার ছাড়া কারও চেহারাই দেখছি না। যাদের দেখছি সেটাও ভিডিও কলের মাধ্যমে।

এবারের ঈদে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মিস করছেন জানিয়ে নিরব বলেন, ‘প্রতি বছর ঈদেই বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিই, কিন্তু এবারের ঈদে সেটা পারিনি। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডাটা খুব মিস করছি।’

এবার ঈদে তেমন কিছুই কিনেন নি, তবে স্ত্রীর জন্য অনলাইনে শাড়ি কিনে উপহার দিয়েছেন। স্ত্রীর কাছ থেকে পেয়েছেন শার্ট উপহার।

ঈদের সালামি প্রসঙ্গে নিরব বলেন, সালামি পাওয়ার চেয়ে দিতে হয় বেশি। এবারও তাই হয়েছে। যেহেতু পাওয়ার মধ্যে শুধু মা, বড় ভাই, বোন ও দুলাভাই তাই এদের থেকে পাই সবসময়;এবারও পেয়েছি। কিন্তু আমি সবসময় সালামি পাই কম, দেই বেশি।

ছবি: শামছুল হক রিপন

আইএন

Tag :
About Author Information

আলোচিত

লক্ষ্মীপুরে সরকারি কবরস্থানের জমি দখল করে মার্কেট নির্মাণের অভিযোগ

কয়েকজন ছাড়া কারও চেহারাই দেখছি না: নিরব

Update Time : ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

দেশের করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রথমবার ঘরে পরিবারের সদস্যদের সাথে ঈদের নামাজ আদায় করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক নিরব হোসেন। প্রায় ৬৮ দিন ঘরে বন্দী এ নায়কের ঈদের দিন কেটেছে বাকি দিনগুলোর মতই।

 

ঘরে বসে থাকতে থাকতে অনেকটাই বোরড হয়ে গেছেন। কিন্ত তাতেও কিছুই করার নেই। দেশের পরিস্থিতি চিন্তা করে থাকছেন গৃহবন্দী। তবে পরিবারের সঙ্গে এতটা সময় পার করাটা বেশ উপভোগ করছেন এ নায়ক। দুই মেয়ে যুওয়াইনাহ্ ও যুওয়াইবাহ্ এর সঙ্গে বেশ ভালো সময় কাটছে।

এ নায়ক বলেন, প্রায় ৬৮ দিন ধরে বাসাতেই আছি। সেদিন থেকে চিন্তা করলে ঈদের দিনটা বাকি দিনের মতই কেটেছে। নতুনত্ব কিছুই ছিলো না। আর প্রথমবার ঈদের নামাজ ঘরে আদায় করেছি। আমরা ১২ জন ছিলা পরিবারে, সবাই মিলে ঘরে জামাতের সাথে নামাজ পড়েছি। এটা একটু ব্যতিক্রম এবারের ঈদে।

পরিবারের সঙ্গে বাসাতেই কেটেছে এদিন। তবে যেহেতু বোন ও ভাইয়ের বাসা খুব কাছেই বিকালের পর বোনের বাসায় গিয়েছিলাম আর ভাইয়া আমাদের বাসায় এসেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘করোনার কারণে নিজের আত্মীয়স্বজন ভাই ব্রাদার ছাড়া কারও চেহারাই দেখছি না। যাদের দেখছি সেটাও ভিডিও কলের মাধ্যমে।

এবারের ঈদে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মিস করছেন জানিয়ে নিরব বলেন, ‘প্রতি বছর ঈদেই বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে আড্ডা দিই, কিন্তু এবারের ঈদে সেটা পারিনি। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডাটা খুব মিস করছি।’

এবার ঈদে তেমন কিছুই কিনেন নি, তবে স্ত্রীর জন্য অনলাইনে শাড়ি কিনে উপহার দিয়েছেন। স্ত্রীর কাছ থেকে পেয়েছেন শার্ট উপহার।

ঈদের সালামি প্রসঙ্গে নিরব বলেন, সালামি পাওয়ার চেয়ে দিতে হয় বেশি। এবারও তাই হয়েছে। যেহেতু পাওয়ার মধ্যে শুধু মা, বড় ভাই, বোন ও দুলাভাই তাই এদের থেকে পাই সবসময়;এবারও পেয়েছি। কিন্তু আমি সবসময় সালামি পাই কম, দেই বেশি।

ছবি: শামছুল হক রিপন

আইএন