Dhaka , সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি উত্তর মান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সুবর্ণচর রাব্বানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

কমলনগরে বনবিভাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সরকারী গাছ উজাড়

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪
  • ১২০ Time View

কমলনগর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বনবিভাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সরকারী গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এগাছ কেটে নেয় হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন প্রক্রিয়া করে বৈধভাবেই গাছ কাটা হয়েছে। উপজেলার উত্তর চরমার্টিন এমন ঘটনা ঘটেছে।

সুফলভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,
ঝড়েপড়ার নামে উপজলা বনবিভাগ কর্মকর্তা মোঃ কামরিল হাছান স্হানীয় স মিল মালিক বাহারের মাধ্যমে বিগত এক বছরে আকাশমনসহ বিভিন্ন জাতের কয়েক লক্ষ টাকার গাছনবিক্রি করেছেন। এছাড়া ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের সাথে গোপন আতাত করে ভিন চার লাখ টাকার গাছ বিক্রি করেন ওই কর্মকর্তা।
বর্তমানে বাগানের সুফলভোগীদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই তার পছন্দের বেপারী আব্বাসের কাছ গাছ বিক্রি করেন। অথচ ঝড়েপড়া গাছে আনুমানিক যে হার বা দাম ধরা হয়েছে বাস্তবে সাথে তার উল্টো। প্রকৃত গাছের ঘনফুট বা দাম নিলামের কাগজে গোপন করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্বে বড় ফাঁকি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে আমরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত।
তারা আরও বলেন এ এলাকায় উপজেলা থেকে অনেক দূরে হওয়ায় কর্মকর্তা তার ইচ্ছে মতোই এমন কাজ করেন। উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ না করলে এত গাছ কিভাবে বিক্রি করেন ওই কর্মকর্তা। সুফলভোগী অজিউল্যাহ ও সাহাব উদ্দিন একই কথা ব্যক্ত করেন।
এদিকে চরকাদিরা ইউনিয়ন এক সুফলভোগী জানান, বন কর্মকর্তা কামরিল হাছান প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকা মূল্যের গামারী গাছ নিলাম ছাড়া নিজই বিক্রি করে দেন।
প্রতিবাদ করায় গাছ জিম্মায় থাকা ব্যক্তিকে উল্টো বিভিন্ন ভয় দেখিয় শাসান।
এবিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাছান বলেন সরকারী বিধি মোতাবেক টেন্ডার আহ্বানে আব্বাস ভাই গাছ পেয়েছে। নিয়মানুযায়ী ওনাকে সরেজমিনে গাছ দেখিয়ে দিয়েছি। ব্যক্তিগতভাবে উনি অফিসকে ভালো জানেন ; এত টুকু। উনি অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখেন; টেন্ডারের আগে আমরা ওনাকে একটু ‘ম্যাসেস’ দেই জাস্ট। এাছাড়া লক্ষ্মীপুরের এক ঠিকাদারও এক লর্ড পেয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি

কমলনগরে বনবিভাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সরকারী গাছ উজাড়

Update Time : ১০:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৪

কমলনগর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে বনবিভাগ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে সরকারী গাছ কেটে নেয়ার অভিযোগ ওঠেছে। মঙ্গল থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এগাছ কেটে নেয় হয়। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলছেন প্রক্রিয়া করে বৈধভাবেই গাছ কাটা হয়েছে। উপজেলার উত্তর চরমার্টিন এমন ঘটনা ঘটেছে।

সুফলভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,
ঝড়েপড়ার নামে উপজলা বনবিভাগ কর্মকর্তা মোঃ কামরিল হাছান স্হানীয় স মিল মালিক বাহারের মাধ্যমে বিগত এক বছরে আকাশমনসহ বিভিন্ন জাতের কয়েক লক্ষ টাকার গাছনবিক্রি করেছেন। এছাড়া ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও তার ভাইয়ের সাথে গোপন আতাত করে ভিন চার লাখ টাকার গাছ বিক্রি করেন ওই কর্মকর্তা।
বর্তমানে বাগানের সুফলভোগীদের সাথে কোন আলোচনা ছাড়াই তার পছন্দের বেপারী আব্বাসের কাছ গাছ বিক্রি করেন। অথচ ঝড়েপড়া গাছে আনুমানিক যে হার বা দাম ধরা হয়েছে বাস্তবে সাথে তার উল্টো। প্রকৃত গাছের ঘনফুট বা দাম নিলামের কাগজে গোপন করা হয়েছে। এতে সরকারের রাজস্বে বড় ফাঁকি দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে আমরা ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত।
তারা আরও বলেন এ এলাকায় উপজেলা থেকে অনেক দূরে হওয়ায় কর্মকর্তা তার ইচ্ছে মতোই এমন কাজ করেন। উপজেলা প্রশাসনকে ম্যানেজ না করলে এত গাছ কিভাবে বিক্রি করেন ওই কর্মকর্তা। সুফলভোগী অজিউল্যাহ ও সাহাব উদ্দিন একই কথা ব্যক্ত করেন।
এদিকে চরকাদিরা ইউনিয়ন এক সুফলভোগী জানান, বন কর্মকর্তা কামরিল হাছান প্রায় ৩০/৪০ হাজার টাকা মূল্যের গামারী গাছ নিলাম ছাড়া নিজই বিক্রি করে দেন।
প্রতিবাদ করায় গাছ জিম্মায় থাকা ব্যক্তিকে উল্টো বিভিন্ন ভয় দেখিয় শাসান।
এবিষয়ে উপজেলা বন কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাছান বলেন সরকারী বিধি মোতাবেক টেন্ডার আহ্বানে আব্বাস ভাই গাছ পেয়েছে। নিয়মানুযায়ী ওনাকে সরেজমিনে গাছ দেখিয়ে দিয়েছি। ব্যক্তিগতভাবে উনি অফিসকে ভালো জানেন ; এত টুকু। উনি অফিসের সাথে যোগাযোগ রাখেন; টেন্ডারের আগে আমরা ওনাকে একটু ‘ম্যাসেস’ দেই জাস্ট। এাছাড়া লক্ষ্মীপুরের এক ঠিকাদারও এক লর্ড পেয়েছে।