Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি উত্তর মান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সুবর্ণচর রাব্বানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে খাল পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪
  • ১৪৯ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে পৌরসভার উদ্যোগে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা ভরা পৌরসভার রহমতখালী খালটি পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া। ( ১২ জুলাই) থেকে পৌরসভার রহমতখালী খালটির বিভিন্ন অংশ থেকে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় শ্রমের বিনিময়ে এ অভিযানে অংশ নিয়ে খাল পরিস্কার করেন শ্রমিকেরা । প্রথমিকভাবে খাল থেকে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন মেয়র মসুম ভুঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দসহ আরো অনেকে।
পৌর মেয়রের খাল পরিস্কার পরিচ্ছতা করায় এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, রহমতখালী খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে যায় তখনও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার রহমতখালী খালে ৫-৭ ফুট গভীরে পানি থাকে। এক সময় এ খালে বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে পৌরসভার কয়েক হাজার বাসিন্দা ও কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাত।
কিন্তু অতীতে কোন জনপ্রতিধিরা খালটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় কচুরিপানায় তা ভরে আছে। তা ছাড়া স্থানীয় শহরের হোটেল রেস্তুরা মিল-কারখানার বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া নিজেই খাল পরিষ্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

মেয়র মাসুম ভুঁইয়া বলেন পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে।
খালটি পরিষ্কার করে পৌরসভার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে থেকে খালের মধ্যে হোটেল,রেস্তুরা, কারখানার বর্জ্য ফেলাও বন্ধ করতে হবে। এই খালে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও পানি ব্যাবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। এব্যাপারে সকলের সযোগীতা কমনা করেন পৌর মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

আলোচিত

লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি

লক্ষ্মীপুরে খাল পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র

Update Time : ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে পৌরসভার উদ্যোগে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা ভরা পৌরসভার রহমতখালী খালটি পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া। ( ১২ জুলাই) থেকে পৌরসভার রহমতখালী খালটির বিভিন্ন অংশ থেকে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় শ্রমের বিনিময়ে এ অভিযানে অংশ নিয়ে খাল পরিস্কার করেন শ্রমিকেরা । প্রথমিকভাবে খাল থেকে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন মেয়র মসুম ভুঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দসহ আরো অনেকে।
পৌর মেয়রের খাল পরিস্কার পরিচ্ছতা করায় এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, রহমতখালী খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে যায় তখনও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার রহমতখালী খালে ৫-৭ ফুট গভীরে পানি থাকে। এক সময় এ খালে বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে পৌরসভার কয়েক হাজার বাসিন্দা ও কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাত।
কিন্তু অতীতে কোন জনপ্রতিধিরা খালটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় কচুরিপানায় তা ভরে আছে। তা ছাড়া স্থানীয় শহরের হোটেল রেস্তুরা মিল-কারখানার বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া নিজেই খাল পরিষ্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

মেয়র মাসুম ভুঁইয়া বলেন পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে।
খালটি পরিষ্কার করে পৌরসভার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে থেকে খালের মধ্যে হোটেল,রেস্তুরা, কারখানার বর্জ্য ফেলাও বন্ধ করতে হবে। এই খালে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও পানি ব্যাবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। এব্যাপারে সকলের সযোগীতা কমনা করেন পৌর মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।