Dhaka , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৪ লক্ষ্মীপুর ছাত্রদল নেতার ওপার তেল ব্যাবসায়ীর হামলা আহত ৪ জমি-অর্থ হাতানোর উদ্দেশ্যে সাবেক সেনা সদস্যকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ খাল দখলমুক্ত ও বর্জ্যমুক্ত করার আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি প্রধানমন্ত্রী তার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা লক্ষ্মীপুরে ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ: প্রবাসী ভাইকে পিটিয়ে হত্যার করলো আপন বড় ভাই ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করবে সরকার নির্মাণ কাজে বাধা-হয়রানির অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হলেন লক্ষ্মীপুরে কৃতি সন্তান এ্যানি লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনেই বিএনপির জয়

লক্ষ্মীপুরে খাল পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪
  • ১৩৪ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে পৌরসভার উদ্যোগে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা ভরা পৌরসভার রহমতখালী খালটি পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া। ( ১২ জুলাই) থেকে পৌরসভার রহমতখালী খালটির বিভিন্ন অংশ থেকে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় শ্রমের বিনিময়ে এ অভিযানে অংশ নিয়ে খাল পরিস্কার করেন শ্রমিকেরা । প্রথমিকভাবে খাল থেকে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন মেয়র মসুম ভুঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দসহ আরো অনেকে।
পৌর মেয়রের খাল পরিস্কার পরিচ্ছতা করায় এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, রহমতখালী খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে যায় তখনও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার রহমতখালী খালে ৫-৭ ফুট গভীরে পানি থাকে। এক সময় এ খালে বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে পৌরসভার কয়েক হাজার বাসিন্দা ও কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাত।
কিন্তু অতীতে কোন জনপ্রতিধিরা খালটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় কচুরিপানায় তা ভরে আছে। তা ছাড়া স্থানীয় শহরের হোটেল রেস্তুরা মিল-কারখানার বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া নিজেই খাল পরিষ্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

মেয়র মাসুম ভুঁইয়া বলেন পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে।
খালটি পরিষ্কার করে পৌরসভার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে থেকে খালের মধ্যে হোটেল,রেস্তুরা, কারখানার বর্জ্য ফেলাও বন্ধ করতে হবে। এই খালে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও পানি ব্যাবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। এব্যাপারে সকলের সযোগীতা কমনা করেন পৌর মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

লক্ষ্মীপুরে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৪

লক্ষ্মীপুরে খাল পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র

Update Time : ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ আগস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে পৌরসভার উদ্যোগে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা ভরা পৌরসভার রহমতখালী খালটি পরিষ্কার করে জনসাধারণের ব্যবহারের উপযোগী করলেন পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া। ( ১২ জুলাই) থেকে পৌরসভার রহমতখালী খালটির বিভিন্ন অংশ থেকে পরিষ্কার অভিযান শুরু করেন তিনি। এসময় শ্রমের বিনিময়ে এ অভিযানে অংশ নিয়ে খাল পরিস্কার করেন শ্রমিকেরা । প্রথমিকভাবে খাল থেকে কচুরিপানা ও ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করে ব্যবহারের উপযোগী করে তোলেন মেয়র মসুম ভুঁইয়া। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা কর্মচারি বৃন্দসহ আরো অনেকে।
পৌর মেয়রের খাল পরিস্কার পরিচ্ছতা করায় এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় এলাকার বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা বলেন, রহমতখালী খালটি একটি ঐতিহ্যবাহী খাল। বছরের শুকনো মৌসুম অতিক্রম করে গ্রীষ্মের খড়তাপে যেখানে বেশির ভাগ জলাশয় শুকিয়ে যায় তখনও লক্ষ্মীপুর পৌরসভার রহমতখালী খালে ৫-৭ ফুট গভীরে পানি থাকে। এক সময় এ খালে বড় বড় নৌকা চলতো। খালের পানিতে পৌরসভার কয়েক হাজার বাসিন্দা ও কৃষক সেচ করে জমিতে ফসল ফলাত।
কিন্তু অতীতে কোন জনপ্রতিধিরা খালটি সংস্কারে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় কচুরিপানায় তা ভরে আছে। তা ছাড়া স্থানীয় শহরের হোটেল রেস্তুরা মিল-কারখানার বর্জ্য ফেলে পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভুঁইয়া নিজেই খাল পরিষ্কারে নেমে এলাকার মানুষকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

মেয়র মাসুম ভুঁইয়া বলেন পরিবেশ রক্ষায় খালের বিকল্প নেই। এই খালের অনেক ঐতিহ্য রয়েছে।
খালটি পরিষ্কার করে পৌরসভার সীমানা পর্যন্ত খনন করে দুই পাশে থেকে খালের মধ্যে হোটেল,রেস্তুরা, কারখানার বর্জ্য ফেলাও বন্ধ করতে হবে। এই খালে এসে যাতে এলাকার মানুষ কিছুটা হলেও পানি ব্যাবহার করতে পারে সে ব্যবস্থা করা হবে। এব্যাপারে সকলের সযোগীতা কমনা করেন পৌর মেয়র মাসুম ভুঁইয়া।