Dhaka , মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৪ লক্ষ্মীপুর ছাত্রদল নেতার ওপার তেল ব্যাবসায়ীর হামলা আহত ৪ জমি-অর্থ হাতানোর উদ্দেশ্যে সাবেক সেনা সদস্যকে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর অভিযোগ খাল দখলমুক্ত ও বর্জ্যমুক্ত করার আহ্বান পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি প্রধানমন্ত্রী তার প্ল্যান বাস্তবায়নে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা লক্ষ্মীপুরে ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ: প্রবাসী ভাইকে পিটিয়ে হত্যার করলো আপন বড় ভাই ১৮০ দিনের মধ্যে খাল খনন প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করবে সরকার নির্মাণ কাজে বাধা-হয়রানির অভিযোগ, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন প্রথমবারের মতো মন্ত্রী হলেন লক্ষ্মীপুরে কৃতি সন্তান এ্যানি লক্ষ্মীপুরের ৪ আসনেই বিএনপির জয়

‘আমরা তো দুইবার প্রতারণার শিকার হয়েছি : মির্জা ফখরুল

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩
  • ১৭১ Time View

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিগত নির্বাচনের আগে সংলাপে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা তো দুইবার প্রতারণার শিকার হয়েছি। তৃতীয়বার দেশের মানুষ আর প্রতারণার শিকার হবে না।’

শনিবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএনপি নেতা গৌতম চক্রবর্তীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট আয়োজিত এক স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গত ১৮–তে (২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে) ডেকেছিলেন আলোচনার জন্য, সংলাপের জন্য, আমরা গিয়েছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম আলোচনার মাধ্যমে যদি একটা অবস্থা তৈরি হয়, সেই অবস্থাতে আমরা যদি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে জনগণের ইচ্ছা–আকাঙ্ক্ষা পরিবর্তন ঘটাতে পারব।’

ক্ষমতাসীনরা সংলাপের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় তাঁদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, তোমাদের এসব কথায় কেউ ভুলবে না। কারণ, তোমরা কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করো না। জাতির কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখো না।’

২০১৮ সালের নির্বাচন এবং তার আগে ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব মন্তব্য করেন, ‘ওই দুটি নির্বাচন মানুষ দেখেছে। আবার ওই জায়গায় ফেরত যাওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না।’

নির্বাচনের সময় কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি করা যাবে না বলে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আইনমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, যখন নির্বাচন চলবে, তখন আর কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না, আটক করা যাবে না। এ কথা কে বিশ্বাস করবে? এ তো রাখাল বালকের গল্পের মতো। রাখাল বালক গ্রামবাসীকে বোকা বানানোর জন্য বাঘ আসছে বলে চিৎকার করত, কিন্তু বাঘ আসেনি। তৃতীয়বার যখন সত্যি সত্যি বাঘ এসেছিল, তখন রাখাল বালক চিৎকার করলেও গ্রামবাসী আর আসেনি।’

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিএনপির দাবি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের নেতা–মন্ত্রীরা বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন ডেড ইস্যু। ডেড ইস্যু হবে কেন? এটা সবচেয়ে লাইভ ইস্যু। কারণ, আমরা মনে করি, এই সরকারের এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা উচিত।’

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব তরুণ কুমার দের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, তপন চন্দ্র মজুমদার, সুশীল বড়ুয়া, ভাইস চেয়ারম্যান অপর্ণা রায়, নিতাই চন্দ্র ঘোষ, রমেশ দত্ত, প্রয়াত নেতার ছেলে গৌরব চক্রবর্তী প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে গৌতম চক্রবর্তীর সহধর্মিণী ও ফ্রন্টের উপদেষ্টা দীপালি সাহা চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

zahirul islam

লক্ষ্মীপুরে পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা আহত ৪

‘আমরা তো দুইবার প্রতারণার শিকার হয়েছি : মির্জা ফখরুল

Update Time : ০১:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জুন ২০২৩

আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিগত নির্বাচনের আগে সংলাপে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘আমরা তো দুইবার প্রতারণার শিকার হয়েছি। তৃতীয়বার দেশের মানুষ আর প্রতারণার শিকার হবে না।’

শনিবার (১০ জুন) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বিএনপি নেতা গৌতম চক্রবর্তীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট আয়োজিত এক স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘গত ১৮–তে (২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে) ডেকেছিলেন আলোচনার জন্য, সংলাপের জন্য, আমরা গিয়েছিলাম। আমরা ভেবেছিলাম আলোচনার মাধ্যমে যদি একটা অবস্থা তৈরি হয়, সেই অবস্থাতে আমরা যদি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে পারি, তাহলে জনগণের ইচ্ছা–আকাঙ্ক্ষা পরিবর্তন ঘটাতে পারব।’

ক্ষমতাসীনরা সংলাপের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় তাঁদের সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়নি অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার করে বলতে চাই, তোমাদের এসব কথায় কেউ ভুলবে না। কারণ, তোমরা কখনোই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করো না। জাতির কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখো না।’

২০১৮ সালের নির্বাচন এবং তার আগে ২০১৪ সালের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব মন্তব্য করেন, ‘ওই দুটি নির্বাচন মানুষ দেখেছে। আবার ওই জায়গায় ফেরত যাওয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না।’

নির্বাচনের সময় কাউকে গ্রেফতার বা হয়রানি করা যাবে না বলে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আইনমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, যখন নির্বাচন চলবে, তখন আর কাউকে গ্রেফতার করা যাবে না, আটক করা যাবে না। এ কথা কে বিশ্বাস করবে? এ তো রাখাল বালকের গল্পের মতো। রাখাল বালক গ্রামবাসীকে বোকা বানানোর জন্য বাঘ আসছে বলে চিৎকার করত, কিন্তু বাঘ আসেনি। তৃতীয়বার যখন সত্যি সত্যি বাঘ এসেছিল, তখন রাখাল বালক চিৎকার করলেও গ্রামবাসী আর আসেনি।’

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিএনপির দাবি নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের নেতা–মন্ত্রীরা বলছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন ডেড ইস্যু। ডেড ইস্যু হবে কেন? এটা সবচেয়ে লাইভ ইস্যু। কারণ, আমরা মনে করি, এই সরকারের এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা উচিত।’

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকারের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব তরুণ কুমার দের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের উপদেষ্টা অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, তপন চন্দ্র মজুমদার, সুশীল বড়ুয়া, ভাইস চেয়ারম্যান অপর্ণা রায়, নিতাই চন্দ্র ঘোষ, রমেশ দত্ত, প্রয়াত নেতার ছেলে গৌরব চক্রবর্তী প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে গৌতম চক্রবর্তীর সহধর্মিণী ও ফ্রন্টের উপদেষ্টা দীপালি সাহা চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।