Dhaka , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি উত্তর মান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা সুবর্ণচর রাব্বানিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মাজারুল ইসলাম লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে চেয়ারম্যান প্রার্থীর মতবিনময় সুবর্ণচরে খাস জমিতে অবৈধ দোকান,গুড়িয়ে দিলেন প্রশাসন লক্ষ্মীপুরে দুধের শিশু নিয়ে মা কারাগারে, জেলগেটে অপেক্ষায় অন্য ২ সন্তান লক্ষ্মীপুরে আ.লীগ নেতার বাড়িতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
  • ১০২ Time View

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি ও পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী হিমেল বলেন, এ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
About Author Information

Sagor Ahmed

আলোচিত

লক্ষ্মীপুর রামগতিতে বাদশা ডাকাতের আতঙ্কে এলাকাবাসি

নোয়াখালী ১২ বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

Update Time : ১০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর হাতিয়ায় ১২ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরপরই তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে নোয়াখালী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, ঘটনাটি সংবেদনশীল হিসেবে বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি ও পরিবারের অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা ও ভাই দীর্ঘদিন ধরে জাহাজমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের মেসে রান্নার কাজ করতেন। সেই সূত্রে ওই শিশুরও তদন্ত কেন্দ্রে যাতায়াত ছিল।

অভিযোগে বলা হয়েছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই পুলিশ পরিদর্শক খোরশেদ আলম শিশুটিকে বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডেকে নিতেন। সেখানে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

ভুক্তভোগীর পরিবার আরও অভিযোগ করেছে, ঘটনাগুলো কাউকে না জানানোর জন্য অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা শিশুটিকে হুমকি দিতেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সময় টাকা দেয়ার প্রলোভনও দেখানো হতো বলে দাবি করা হয়েছে। পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে এতদিন বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী হিমেল বলেন, এ ঘটনায় হাতিয়া ও আশপাশ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কবির হোসেন আরও বলেন, অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।