Dhaka , শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শহিদদের রক্তের বদলা নিতে ‘যে অঙ্গীকার’ করলেন শিবির সভাপতি আ.লীগ নিষিদ্ধে সরকার একা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না : মাহফুজ আলম বাংলাদেশেকে নিয়ে একটা গভীর চক্রান্ত চলছে: এ্যানি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্রই আর টিকবে না : ফয়েজ আহম্মদ লক্ষ্মীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শিশু গুলিবিদ্ধ চুরির অপবাদে শ্রমিকদল নেতাকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৪ বিগত ১৬/১৭ বছর খুশি মনে ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হয়নি-খায়ের ভুঁইয়া বিগত ১৬/১৭ বছর খুশি মনে ঈদ উদযাপন করা সম্ভব হয়নি-খায়ের ভুঁইয়া লক্ষ্মীপুর জেলা বাসিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জামায়াত নেতা-নুর নবী  এমন বাংলাদেশ চাই যেখানে গণতন্ত্রের ভিত হবে শক্তিশালী: এ্যানি

এক আমের ওজন ৫ কেজি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩
  • ১১৪ Time View

আমের নাম ‘ব্রুনাই কিং’। একেকটি আমের ওজন তিন থেকে পাঁচ কেজি। বিশাল আকারের এই আম ঝুলছে যশোর খয়েরতলা হর্টিকালচার সেন্টারে। দেখতে বালিশের মতো হওয়ায় দর্শনার্থীরা নাম দিয়েছেন ‘বালিশ আম’।

কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চার বছর আগে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে পরীক্ষামূলকভাবে রোপণ করা হয় এ জাতের একটি আম গাছ। এখন সেই গাছে সবুজ পাতার মাঝে শোভা পাচ্ছে বৃহৎ আকৃতির আম। আমটি আকার-আকৃতিতে যেমন বড় তেমনি খেতেও সুস্বাদু।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ব্রুনাইয়ের রাজকীয় বাগানের এ আমটি দেশে এসেছে মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী গ্রামের নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানের ভাগ্নের হাত ধরে। এরপর আতিয়ার রহমান নিজ নার্সারিতে এ আমের চারা তৈরি করেন। চার বছর আগে আতিয়ার রহমানের কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে একটি মাতৃগাছ তৈরি করা হয়েছে। প্রথম বছর পরিচর্যাগত কারণে ফল না আসলেও এ বছর গাছটিতে ৩৫টি আম ধরেছে।

যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক দীপঙ্কর দাস বলেন, চার বছর আগে এ ব্রুনাই কিং জাতের আম গাছের চারাটি রোপণ করা হয়। প্রথম বছর পরিচর্যাগত সমস্যার কারণে ফল পাওয়া যায়নি। তবে এ বছর গাছটিতে ৩৫টি আম ধরেছে। গাছটির সবচেয়ে বড় আমটির ওজন প্রায় ৫ কেজি। এটি দেশের সবচেয়ে বড় আম। এ আমের মুকুল আসে অন্যান্য আমের মতো একই সময়ে। তবে পাকে অনেক দেরিতে এবং স্বাদে ফজলি আমের মত। চাষী পর্যায়ে এ আম প্রসারে কলম তৈরি করে বিক্রি করা হচ্ছে।
হর্টিকালচার সেন্টারের কর্মচারী মোহাম্মদ ওলিয়ার রহমান বলেন, আম গাছটি রোপণের পর থেকে আমরা কৃষিবিদদের পরামর্শ মতো পরিচর্যা করে আসছি। এ বছর ফল ধরেছে। আমটি দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে অনেক গাছপ্রেমীরা আম গাছটি এবং আম দেখতে আসছেন। বালিশের মতো দেখতে হওয়ায়, দেখতে আসা দর্শনার্থীরা এর নাম দিয়েছেন ‘বালিশ আম’। অনেকে আবার দেখতে এসে গাছের কলম নিয়ে বাড়িতে, জমিতে রোপণ করছেন।

Tag :
About Author Information

zahirul islam

শহিদদের রক্তের বদলা নিতে ‘যে অঙ্গীকার’ করলেন শিবির সভাপতি

এক আমের ওজন ৫ কেজি

Update Time : ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জুন ২০২৩

আমের নাম ‘ব্রুনাই কিং’। একেকটি আমের ওজন তিন থেকে পাঁচ কেজি। বিশাল আকারের এই আম ঝুলছে যশোর খয়েরতলা হর্টিকালচার সেন্টারে। দেখতে বালিশের মতো হওয়ায় দর্শনার্থীরা নাম দিয়েছেন ‘বালিশ আম’।

কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চার বছর আগে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে পরীক্ষামূলকভাবে রোপণ করা হয় এ জাতের একটি আম গাছ। এখন সেই গাছে সবুজ পাতার মাঝে শোভা পাচ্ছে বৃহৎ আকৃতির আম। আমটি আকার-আকৃতিতে যেমন বড় তেমনি খেতেও সুস্বাদু।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ব্রুনাইয়ের রাজকীয় বাগানের এ আমটি দেশে এসেছে মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী গ্রামের নার্সারি মালিক আতিয়ার রহমানের ভাগ্নের হাত ধরে। এরপর আতিয়ার রহমান নিজ নার্সারিতে এ আমের চারা তৈরি করেন। চার বছর আগে আতিয়ার রহমানের কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে যশোর হর্টিকালচার সেন্টারে একটি মাতৃগাছ তৈরি করা হয়েছে। প্রথম বছর পরিচর্যাগত কারণে ফল না আসলেও এ বছর গাছটিতে ৩৫টি আম ধরেছে।

যশোর হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক দীপঙ্কর দাস বলেন, চার বছর আগে এ ব্রুনাই কিং জাতের আম গাছের চারাটি রোপণ করা হয়। প্রথম বছর পরিচর্যাগত সমস্যার কারণে ফল পাওয়া যায়নি। তবে এ বছর গাছটিতে ৩৫টি আম ধরেছে। গাছটির সবচেয়ে বড় আমটির ওজন প্রায় ৫ কেজি। এটি দেশের সবচেয়ে বড় আম। এ আমের মুকুল আসে অন্যান্য আমের মতো একই সময়ে। তবে পাকে অনেক দেরিতে এবং স্বাদে ফজলি আমের মত। চাষী পর্যায়ে এ আম প্রসারে কলম তৈরি করে বিক্রি করা হচ্ছে।
হর্টিকালচার সেন্টারের কর্মচারী মোহাম্মদ ওলিয়ার রহমান বলেন, আম গাছটি রোপণের পর থেকে আমরা কৃষিবিদদের পরামর্শ মতো পরিচর্যা করে আসছি। এ বছর ফল ধরেছে। আমটি দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে অনেক গাছপ্রেমীরা আম গাছটি এবং আম দেখতে আসছেন। বালিশের মতো দেখতে হওয়ায়, দেখতে আসা দর্শনার্থীরা এর নাম দিয়েছেন ‘বালিশ আম’। অনেকে আবার দেখতে এসে গাছের কলম নিয়ে বাড়িতে, জমিতে রোপণ করছেন।